• সর্বশেষ আপডেট

    সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগীদের ইসিতে নিয়োগ: গণঅধিকার পরিষদ

     

    সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগীদের নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে গণ-অধিকার পরিষদ। সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের কেন্দ্রীয় অফিসে সংবাদ সম্মেলনে সদস্য সচিব নুরুল হক নুর সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ অবস্থান তুলে ধরেন। এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে নুরুল হক বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া কাজী হাবিবুল আউয়ালের নিয়োগ, পদোন্নতি নিয়ে বিতর্কসহ অসদাচারণের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বিতর্কিত নুরুল হুদা কমিশনের সচিব ছিলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান অবসরের পরও সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী হিসেবে বিটিআরসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান ও সরকারের সুবিধাভোগী হিসেবে সদ্য অবসরে যাওয়া একজন সচিব।’তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে সার্চ কমিটির বৈঠকে অংশ নেওয়া বিশিষ্ট নাগরিকদের পরামর্শ ছিল সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী ও সদ্য অবসরে যাওয়া কোনও ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ না দেওয়া, সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের ৪ জনই সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী। এমনকি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে রয়েছে আইন না মানাসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ। তাই গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের জোরালো দাবি জানাই।গণপরিষদ মনে করে, সরকারের পছন্দসই ব্যক্তিদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনে ভিন্নমতের রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট আইন করা হয়েছে; যা সর্বজন গ্রহণযোগ্য ছিল না।নুর বলেন, আওয়ামী লীগের উপকমিটির আদলে সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সার্চ কমিটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও দলের প্রস্তাবিত ৩২২ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত ১০ জনের তালিকা প্রকাশ করেনি; যা তাদের কাজের অস্বচ্ছতা প্রকাশ করে।তিনি বলেন,২০১৪ ও ২০১৮ সালের একপেশে দুটি জাতীয় নির্বাচন সকলের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে গণঅধিকার পরিষদ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ‘তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা’ পুনরায় সংবিধানে অর্ন্তভুক্ত করে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানায়।

    প্রকাশিত: সোমবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad