Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    চট্টগ্রামে ৯৩ শতাংশ রোগীর দেহে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

      

    ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নোভেল করোনা ভাইরাসের তুলনায় খুবই ছোঁয়াচে, খুব দ্রুত ছড়াতে পারে একজন থেকে অন্যজনে।
    চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) এর যৌথ গবেষণায় এসব তথ্যের প্রমাণ মিলেছে।

    চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ৯৩ শতাংশের নমুনায় মিলেছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। শহরের পাশাপাশি গ্রামেও ডেল্টার সংক্রমণ ছড়িয়েছে। সংক্রমিত রোগীর মধ্যে আছেন তরুণ, যুবক, মধ্যবয়সী ও বৃদ্ধ।  


    সিভাসু উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশের তত্ত্বাবধানে ‘কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মূল্যায়ন’ শীর্ষক এই গবেষণায় পোলট্রি রিসার্চ ও ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) সহযোগিতা করে। মুখ্য গবেষক ছিলেন প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস। গবেষক ছিলেন সিভাসুর প্রফেসর ড. শারমিন চৌধুরী, ডা. ইফতেখার আহমেদ রানা, ডা. ত্রিদিব দাশ, ডা. প্রনেশ দত্ত, ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম ও ডা. তানভীর আহমদ নিজামী।

    গবেষণার জন্য ১ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ১২ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী সহ মোট ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়, যাদের বয়স ২১ থেকে ৭৪ বছরের মধ্যে। এসব রোগীর মধ্যে ১৫ জন শহরের এবং ১৫ জন গ্রামের বাসিন্দা।

    গবেষণায় জিনোম সিকোয়েন্সে দেখা গেছে, সংগৃহীত ৩০টি নমুনার মধ্যে ২৮টি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, যা মোট নমুনার ৯৩ শতাংশ। অপর দুইটি নমুনার মধ্যে একটি আলফা (যুক্তরাজ্য) ভ্যারিয়েন্ট ও অন্যটির চীনের উহানের ভাইরাসের সঙ্গে মিল রয়েছে। ডেল্টা সংক্রমিত এসব রোগীর মধ্যে ১৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, যাদের মধ্যে ৯ জনের বয়স ৫০ এর বেশি।  

    জিনোম সিকোয়েন্সে সহযোগিতা করেন বিসিএসআইআর ল্যাবের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সেলিম খান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মোরশেদ হাসান সরকার।  

    মুখ্য গবেষক প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস জানান, জুলাই মাস থেকে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়েছে। এতে সব বয়সীরাই সংক্রমিত হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে মানুষের মধ্যে অনীহা, শারীরিক দূরত্ব না থাকা এবং হাঁচি-কাশিতে শিষ্টাচার বজায় না রাখা সহ এই করোনাকালে বিধি-নিষেধের মধ্যেও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ না করায় শহর এবং গ্রামে সমানতালে সংক্রমণ বাড়ছে। বলা যায়, চট্টগ্রামে এখন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এর দাপট চলছে।  

    সিভাসু উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত সংক্রামক। এটি এখন দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রভাবশালী স্ট্রেইন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট যখন কাউকে আক্রান্ত করে তখন তার শরীরে সেই ভাইরাসটি সংখ্যায় অনেক বেশি থাকে। অর্থাৎ, ভাইরাসটি খুব দ্রুত তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে। যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি থেকে অধিক সংখ্যক ভাইরাস বেরিয়ে আসে, যা সহজেই অন্যকে আক্রান্ত করতে পারে।

    প্রকাশিত: শুক্রবার ০৬ আগস্ট, ২০২১

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad