Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    এখন থেকে ৬ অক্টোবর ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

     


    জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন সম্পন্ন করতে ‘জাতীয় জন্মনিবন্ধন দিবস’কে ‘জাতীয় জন্ম ও নিবন্ধন দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    প্রতি বছর ৬ অক্টোবরকে ‘জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস’ এর পরিবর্তে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ ঘোষণা এবং দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এ বিষয়ের পরিপত্রের ‘গ’ ক্রমিকে অন্তুর্ভুক্তিকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৯ আগস্ট) ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দাকার আনোয়ারুল ইসলাম।

    বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমাদের এসডিজির একটা লক্ষ্যমাত্রা আছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন সম্পূর্ণ করতে হবে।

    জন্ম ও মৃত্যু আইন, ২০০৪ অনুযায়ী শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন এবং কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধনের কথা বলা রয়েছে। এটাকে আরও ইফেক্টিভ করার জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় এ দিবসটা পালন করতে চাচ্ছেন যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়।

    কতগুলো বিষয়ের জন্য নিবন্ধন প্রয়োজন হয় জানিয়ে তিনি বলেন, কোর্টে জন্ম বা মৃত প্রমাণের জন্য বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। পারিবারিক পেনশন, লাইভ ইন্স্যুরেন্সের দাবি, জমিজমার নামজারির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধন যেমন প্রয়োজন তেমনি মৃত্য নিবন্ধনও প্রয়োজন। এটা প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন এটা যেন কেবিনেট থেকে একটি উদ্যোগ নিয়ে কো-অর্ডিনেশন করানো হয়। আমরা গত ৫/৬ মাস আগে কো-অর্ডিনেশন শুরু করেছি।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করা। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রারও আছে। প্রত্যেক দফাদার, চৌকিদার জন্ম গ্রহণকারী ও মৃত্যুর তথ্য নিয়ে আসে রেজিস্ট্রি করে। এ সনদগুলো ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে করানোর নির্দেশনা এবং তাদের ক্ষমতাপ্রাপ্ত করা হয়েছে। ইউনিয়র ডিজিটাল সেন্টার ৭০ টাকা ফি নেয়, ৫০ টাকা তারা নিজে পায় এবং ২০ টাকা ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেয়।

    ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (এফডব্লিউএ) কর্মী এবং স্বাস্থ্য সহকারীদের কাছে প্রত্যেক বাড়ির মহিলা, বিয়ে উপযোগ্য বা বিবাহিত, কার বাচ্চা হলো সবার তথ্য আছে। তাদের সঙ্গে একটা কো-অর্ডিনেশন করে দেওয়া যাতে ইউনিয়ন পরিষদ এটার যথাযথ এবং সময়মতো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করে ফেলতে পারে।

    তিনি বলেন, ডুপ্লিকেট করতে পারবে না। একবার যখন হয়ে যাবে, এটা অনেকগুলো জিনিসের সঙ্গে রিলেটেড থাকবে। সুতরাং এক জায়গায় করে অন্য জায়গায় পরিবর্তন করতে পারবে না। সেজন্য আমাদের টার্গেট ধরা আছে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ করে ফেলবো। আশা করি, তার চেয়ে বেশি করে ফেলবো।

    প্রকাশিত: সোমবার ০৯ আগস্ট, ২০২১

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad