Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    ডেসটিনির দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং মামলার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি ক্রাউন রেজার ভয়াবহ প্রতারণা!

    ডেসটিনি ২০০০ মাল্টি লেভেল কোম্পানির দুর্নীতি দমন মামলার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি প্রকাশ্যেই করছে অবৈধ এম এল এম ব্যবসা, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো ব্যবহার করে বিক্রি করছে করোনার ও যৌন উত্তেজক ক্ষতিকর সামগ্রী , প্লট বিক্রি, ক্রাউন বাজার নামে ডিলারশীপ প্রদান ও অতি লাভজনক বিনিয়োগের নামে করছে প্রতারণা আর সংগৃহীত অর্থ পাচার করছে মালয়েশিয়ায়।

    কলাবাগান থানার মামলা নাম্বার ৩৩(৭)/১২ এবং দুর্নীতি দমন বিভাগের মানি লন্ডারিংযের বিশেষ জজ আদালতের বিশেষ মামলা নাম্বার ১৭/ ১৬ এর চার্জশিট ভুক্ত পলাতক আসামি এ.এইচ.এম আতাউর রহমান রেজা, যিনি বর্তমানে ক্রাউন টাচ গ্লোবাল লিঃ নামক আরও একটি অবৈধ মাল্টিলেভেল প্রতিষ্ঠানের কর্নধার এবং মাওয়া রোডে ধরিএী প্রোপার্টিজ লিঃ এর এমডি হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বাংলা মটরের মত অভিজাত এলাকায় রুপায়ন টাউয়ারের ৭তলায় তিন লাখ টাকা ভাড়ায় বিলাসবহুল সুসজ্জিত অফিস এবং শামছুন্নার কমপ্লেক্স,৬-এ,৩১/সি, তোপখানা রোড, সেগুন বাগিচায় আরও একটি অফিস নিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চালাচ্ছেন তার এই অবৈধ ও প্রতারনামুলক কারবার।

    কে এই এ এইচ এম আতাউর রহমান ?
    এ এইচ এম আতাউর রহমান ওরফে ক্রাউন রেজা, পিতাঃ মৃত সারোয়ার রহমান, মাতাঃ মৃত জোসনা বেগম, স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রামঃ সেমড়া, পোস্টঃচান্দুরা, থানাঃ বিজয় নগর, জিলাঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জাতিয় পরিচয় পত্র নং ১২১১৩২৮৪০৯৩৮৪, পাসপোর্ট নাম্বার- এ এইচ এমডি আতাউর রহমান- বি কে০৮৬৩৪১৬, মোবাইল নাম্বার ০১৬৩০৩১৪১৯৬
    এই এ.এইচ.এম আতাউর রহমান রেজা, ওরফে ক্রাউন রেজা, যিনি বর্তমানে ক্রাউন টাচ গ্লোবাল লিঃ নামক প্রতিষ্ঠানের কর্নধার এবং মাওয়া রোডে ধরিএী প্রোপার্টিজ লিঃ এমডি হিসেবে বহাল তবিয়তে প্রতারণামূলক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বাংলামটর ও সেগুন বাগিচায়।

    ক্রাউন রেজা নামে খ্যাত এই ব্যক্তি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের একজন ক্রাউন এক্সিকিউটিভ এবং ডেসটিনি মাল্টি-পারপাস কোঅপারেটিভ এর কোষাধক্ষ ছিলেন। যিনি বিলুপ্ত ডেসটিনি ২০০০ লিঃ কোম্পানির দুর্নীতি মামলার একজন ফেরারী আসামী হিসেবে পলাতক আছেন। যেখানে ডেসটিনি ২০০০ লিঃ এর অর্থ- আত্মসাৎ মামলায় প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার সাজা প্রাপ্ত হয়ে জেল খাটছেন সেই অবস্থাতেও তিনি প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দিখিয়ে দিব্বি ঘুরে বেডাচ্ছেন এবং অবৈধ ব্যবসা ও ভয়াবহ প্রতারনার মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করছেন। এছাড়া তিনি ধরিএী প্রোপার্টিজ লিঃ এর জমি এবং প্লট বিক্রির নামে শতশত মানুষদের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেই যাচ্ছেন । প্লট বুঝে না পেয়ে গ্রাহক তাদের টাকা ফেরত চাইলে নানা রকম ভয়ভীতি এবং গুম করার হুমকি দিচ্ছে ফলে তারা ভীষণ আতঙ্কে আছে। এই ল্যান্ডের নামে জনগন থেকে যে টাকা আমানত রাখা হচ্ছে এর বিরুদ্ধেও তার নামে একাধিক মামলা ও রয়েছে বলে এক সূত্রে জানা গেছে কিন্তু অজ্ঞাত কারনে প্রশাসন তার কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না ফলে ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এসব অবৈধ টাকায় তার রয়েছে ঢাকায় নামে বেনামে একাধিক দামি ফ্লাট ও বিলাসবহুল গাড়ি।

    বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএস আই আর)
    এর নাম ও লোগো ব্যবহার করে করোনা ও যৌন উত্তেজক সামগ্রীর বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা

    এই আতাউরর রহমান রেজা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএস আই আর) এর নাম ও লোগো ব্যবহার করে ফেসবুক,ওয়েবসাইট ও জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলে করোনা ও যৌন উত্তেজক সামগ্রীর বিজ্ঞাপন দিয়ে ভয়াবহ প্রতারণা করে চলেছেন।
    সিটিজিএল পেন্টাগন নামে মাত্র ১০০ গ্রাম কিসমিস বোতলে ভরে মেডিসিন বলে বিক্রি করছে ১৯,৯৯৯ টাকায়। যেখানে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএস আই আর) কতৃক টেস্টেড এন্ড সার্টিফাইড বলে প্রচার করা হচ্ছে। অথচ বিসিএস আই আর কোন দ্রব্যসামগ্রির অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ নয় বরং তাদের টেস্ট রেজাল্ট বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করারও অনুমতি নেই। কিন্তু কোন ক্ষমতা বলে জনাব রেজা এ কাজ করছেন তা বোধগম্য নয়। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ সরকারের এই প্রতিষ্ঠানকে মেইলের মাধ্যমে জানালে তারা কোন জাবাব দেননি যা রহস্যজনক!

    ভিডিও লিংক : https://www.youtube.com/watch?v=IvKbtQ30H_k

    এ বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদক টেভিশনের বিজ্ঞাপন, ফেসবুক ও ওয়েব সাইটের ভিডিও এবং লিফলেট পাঠায়ে এই প্রতিষ্ঠানের একজন বিজ্ঞানির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান- বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে অবগত করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে এখনও ব্যবস্থার নজির দেখা যায়নি।

    নামে-বেনামে ব্যবসা পরিচালনাঃপ্রতারনার কৌশল হিসেবে কখনো তার নিজ নামে, কখনো তার স্ত্রী , বোন, ভাগ্নে বা আত্মীয়ের নামে তিনি ব্যবসা পরিচালনা করেন। ইতিপূর্বে তিনি মৈত্রী প্রপারটিস,( নোয়াখালী টাউয়ার, পুরানা পল্টন), সেরাজেম( মালিবাগ), নিরাপদ হাসপাতাল ( মালিবাগ মোড়, সি আই ডি অফিসের পাশে),পুষ্প ধারা হাউজিং( সিদ্ধেশরী),উদ্যোগ প্রপারটিজ লিঃ, ৪৫ বিজয় নগর ঢাকা সহ আরও অনেক কোম্পানি খুলে বিভিন্ন ভাবে মানুষকে প্রতারনা করে সর্ব শান্ত করেছেন।ভুয়া শোরুমঃ কাওরান বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য কিনে এনে অফিসে সাজিয়ে ক্রাউন বাজার নামে ভুয়া শোরুম দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা করে নিয়েছে এবং এখন ও নিচ্ছে । ইতিমধ্যেই ৮ জনের থেকে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে এক তথ্যে জানা গেছে।

    বাজার মূল্যের চেয়ে অস্বাভাবিক উচ্চ দামে পণ্য বিক্রি ও নকল পণ্য তৈরিঃ
    জানা গেছে এই রেজা একটি সুনামধন্য কোম্পানির পণ্য  মাত্র ২৭৫/ - ৪৪০/ টাকায় কিনে ৭৩৫০/- ২৬,৩৮০/ টাকায় বিক্রি এবং ওই পণ্যের নকল পণ্য তৈরী করে। এই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটি তার সাথে ব্যবসা বন্ধ করে পত্রিকায় সংবাদ/ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
    এই ওয়েব সাইট www.crowntouchglobal.com এবং
    FB: crowntouchglobal তে ভিজিট করলেই তার প্রমান পাওয়া যাবে।

    বিনিয়োগ এর নামে অন্যের কোম্পানির প্রকল্প ও ফ্যাক্টরি দেখিয়ে প্রতারণাঃ
    এই ক্রাউন রেজা বিভিন্ন সময় যেসব কোম্পানির থেকে পণ্য

    প্রকাশিত: রবিবার ৯, অগাস্ট ২০২০

    Post Top Ad