Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    পরিক্ষায় পাশ,নির্বাচন কমিশনার

     

    কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের প্রথম পরীক্ষায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে।নির্বাচনে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীর আরফানুল হক রিফাত। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন নৌকার প্রার্থী। বিএনপি থেকে বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু হারলেও লড়াই চলেছে সমানে সমান। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে মাত্র ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে।

    বেসরকারিভাবে ১০৫ কেন্দ্রের ফলে নৌকার প্রার্থী রিফাত পান ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। অন্যদিকে সাক্কু পান ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।ভোটের আগে কথার লড়াই উত্তাপ ছড়ালেও বুধবার ভোটের দিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বড় ধরনের অভিযোগ ছিল না। ভোটার উপস্থিতি নিয়েও মোটামুটি সন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন।জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলেছে। ওই সময়ের মধ্যে কেন্দ্রের নির্ধারিত চৌহদ্দীর মধ্যে যারা ঢুকেছেন, নিয়ম অনুযায়ী তাদের সবারই ভোট নেয়া হয়েছে।ইভিএমের এ নির্বাচনে শুধু কিছু কেন্দ্রে ধীরগতিতে ভোট হওয়ায় দুর্ভোগের কথা এসেছে। তবে কোথাও বড় কোনো গোলযোগ, মারামারি হয়নি। ভোটের পরিবেশ নিয়ে বড় কোনো প্রশ্নের মুখে ইসিকে পড়তে হয়নি।

    কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের প্রথম বড় পরিসরের এই ভোটে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সব প্রার্থীই।
    নিজেদের ভোট প্রদান শেষে ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু থাকায় নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত এবং বিএনপি থেকে বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।
    আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত বলেছেন, এ নির্বাচনে প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা তিনি পাননি। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।
    স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু বলেছেন, ধীর গতির ভোট হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ভোটারদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। তার ওপর বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভোটার কম এসেছেন। অনেক কেন্দ্রে ইভিএম ঠিকমতো কাজ করেনি। তারপরও প্রশাসন ভালো ভোট করেছে বলে আমি মনে করি।
    বুধবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে কুমিল্লা থেকে বের করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন নিজের ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তবে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি কোনো অভিযোগ করেননি।
    ভোট শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, কোনো ঝামেলা ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। পুরো নির্বাচন সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬০ ভাগ।
    বয়স্কদের ইভিএমে ভোট বুঝতে একটু সময় লেগেছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে ছিলাম। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিয়েছি। সে কারণেই ভোট স্বচ্ছ হয়েছে।

    ফলে এ কথা বলা যায়, প্রথম পরীক্ষায় বেশ ভালোভাবেই পাস করেছে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।
    প্রকাশিত: বুধবার ১৫ জুন ২০২২

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad