• সর্বশেষ আপডেট

    সীতাকুণ্ডে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক শাহীন র‍্যাবের হাতে ধরা।

     

    এম এ মেহেদিঃ চট্টগ্রাম  সীতাকুণ্ডে ৯ বছরের এক  শিশুকে ধর্ষণ ঘটনা ঘটে শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী। গত ২৩ মার্চ  প্রতিদিনের মত শিশুটির মা-বাবা কাজের উদ্দ্যেশ্য বাড়ি থেকে বাহির হয়ে যায়। তাদের ৩য় শ্রেণীতে পড়ুয়া শিশু কন্যা মাদ্রাসার ক্লাস শেষ করে ঐদিন দুপুরে  বাড়িতে আসলে ঘরের মধ্যে কোন লোক না থাকায় ধর্ষক মোঃ শাহীন শিশুটিকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন ও ম্যাজিক লাইট দেখাবে বলে ফুসলিয়ে তার ঘরে নিয়ে  শাহীন শিশুটিকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষক শাহীন তখন ঘর থেকে বাহির হয়ে সু-কৌশলে পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা ৯ বছরের শিশুটিকে  বিবস্ত্র অবস্থায় দেখে তার বাবাকে মোবাইল ফোনে জানায় পরে বাবা অসুস্থ্য মেয়েকে সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত ডাক্তার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ওসিসি) তে প্রেরণ করেন এবং বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ওসিসি) চিকিৎসাধীন আছে।এঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে  সীতাকুণ্ড থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।  মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে ধর্ষক মোঃ শাহীন(১৯)  বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করতে থাকে। এ ঘটনায় ধর্ষণকারী শাহীনকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোয়েন্দা নজরদারী এবং ছায়াতদন্ত শুরু করে। নজরদারীর এক পর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে, ধর্ষণকারী শাহীন  চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন বারৈয়ারহাট বাজার এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সন্ধ্যায়    র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম একটি আভিযানিক দল ঐ  এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ শাহীন(১৯) কে গ্রেফতার করে ধর্ষক শাহীন সীতাকুণ্ডের ইয়াসিন নগর নেজাম উদ্দিনের ছেলে।  তাৎক্ষনণিক  জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে  সংশ্লিষ্ট সীতাকুণ্ড মডেল  থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার ৩১ মার্চ ২০২২

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad