Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    চিকিৎসার গাফিলতির ফলে দুচোখ হারালেন এক নারী




    এস.এম.দেলোয়ার হোসাইন, মাদারীপু চিকিৎসার গাফলতির ফলে দু’টি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়ার অভিযোগে মাদারীপুর চক্ষু হাসপাতালের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক  এ.আর অমিত (৩৪) নামের এক ব্যাক্তিকে এক বছর জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার ২৪ মার্চ দুপুরে এক ভূক্তভোগীর অভিযোগ এর সত্যতা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক ভ্রাম্যমাণ আদালত এর মাধ্যমে এ সাজা দেন। মাদারীপুর সদর উপজেলার তালতলা এলাকার বাসিন্দা অনুু বেগম (৫৫)স্বামী  আলা তাজ উদ্দিন দীর্ঘদিন চোখের ছানি নিয়ে ভূগছিলেন।চোখের   ছানি চিকিৎসার ব্যাপারে মাদারীপুর চক্ষু হাসপাতালে গোপালগঞ্জ থেকে আগত ডাঃ মোঃ আবু ইউসুফ কে দেখান। ডাঃ মোঃআবু  ইউসুফ অনুু বেগম কে চোখের ছানি অপারেশনের  জন্য প্রেসক্রিপশন করেন।

     উক্ত প্রেসক্রিপশন এ কিছু টেষ্ট দেন এবং বলেন টেষ্ট রিপোর্ট এর ভিত্তিতে অপারেশন করা হবে। তার কিছু দিনপর অনুু বেগম অপারেশন করতে মাদারীপুর চক্ষুু হাসপাতালে যান। তার অপারেশন ডাঃ মোঃআবু ইউসুফ এর করার কথা থাকলেও  অপারেশন করেন ডাঃ সুব্র্রত কুমারপাল। কোন টেষ্ট ছাড়াই ডাঃ সুব্র্রত কুমার পালকে অপারেশন করার জন্য বাধ্য করে হাসপাতালের  ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এ.আর অমিত (৩৪)।

     প্রতারণা করে কোন টেষ্ট ছাড়াই চিকিৎসার কারনেই  অনুু বেগম   (৫৫)  এর  চোখ নষ্ট  হয়েছে     পরিবারের অভিযোগ।  এ  অভিযোগের ভিত্তিতে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের এর একটি টিম হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেন  এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে  হাসপাতালের   ব্যাবস্থাপনা পরিচালক  এ.আর অমিত কে তাৎক্ষনিক ভাবে  এক মাসের  জেল  সাজা  দেনভ্রাম্যমাণ আদালত।
    ডাঃ সুব্র্রত কুমার পাল বলেন, আমাকে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকএ.আর অমিত চিকিৎসা করতে বলেছেন। আমি চাপের মুখে তার চিকিৎসা করতে বাধ্য হয়েছি এখানে আমার কোন দোষ নেই। আমার চিকিৎসার কোন গাফলতি ছিলনা।

    এ ব্যাপারে অনুু বেগম এর মেয়ে মুন্নি আক্তার বলেন, হাসপাতাল কতৃপক্ষের   চিকিৎসার   গাফলতির  ফলে   আমার   মায়ের   চোখ   নষ্ট   হয়েছে।   আমারমায়ের চোখতো আর আমরা ফিরে পাবনা। আমার মায়ের চিকিৎসার জন্যঅনেক টাকা খরচ হয়েছে। আমারা এর ক্ষতিপূরণ চাই। এবং আর করো সাথেযেন এমন না হয় প্রশাসন যাতে সেই ব্যাবস্থা নেয়।মাদারীপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, ভ্রাম্যমাণআদালত এর মাধ্যমে মাদারীপুর চক্ষু হাসপাতালের ব্যাবস্থাপনা পরিচালকেএক মাসের জেল দেওয়া হয়েছে। আমরা তার ব্যাপরে   তদন্ত কমেটি করে সকলঅভিযোগ  ক্ষতিয়ে দেখবো। এবং পরবর্তী ব্যাবস্থা নেব।


    প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ, ২০২১

    Post Top Ad