Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    বিএনপির লোকজন যেন পদ্মা সেতু ব্যাবহার না করে : শাজাহান খান


    সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বলেছেন ‘জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু হচ্ছে।’ তিনি পদ্মা সেতুতে না উঠতেও বলেছেন। তাই আমি বলব, নেত্রীর নির্দেশ যদি মানেন তাহলে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেন পদ্মা সেতু পার না হন। আমরা আগামী বছর পদ্মা সেতুতে উঠব।

    মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও মিলন মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উদযাপন কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান বলেন, বাংলাদেশেও অনেক ভাস্কর্য আছে। আজকে আলেমরা ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করছেন। তাদের কাছে আমাদের প্রশ্ন, চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য আছে। ঢাকায় ২৯ নং মিন্টু রোডে খালেদা জিয়া যখন সেখানে ছিলেন সেই বাড়িতে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য আছে।

    তখন কেউ জিহাদ ঘোষণা করলেন না কেন? অথচ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য যখন স্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হয় তখন তার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করছেন আপনারা! আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছি। আমি আলেমদের কাছে জানতে চাই তারা যে ওয়াজ করেন তখন কি কখনও বলছেন যে, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে মিলে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল? আমরা জানি, এই কথা কোনও আলেম বলেন নাই, প্রতিবাদও করেন নাই।’

    এসময় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য আছে ও থাকবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন,‘আজকে আলেমরা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, সকল প্রকার ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। এই ভাস্কর্য হচ্ছে বাঙালি বা পুরো বিশ্বের সংস্কৃতির অঙ্গ। এটাকে যদি ধ্বংস করা যায় তাহলে মানব ইতিহাসে উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে ধ্বংস করা যাবে। সেই চেষ্টায় লিপ্ত হয়ে মনগড়া ইসলামকে দিয়ে তারা এটাকে সামনে নিয়ে আসে।’

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। সমাবেশে জেলা সদর ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।


    প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৮ ডিসেমম্বর, ২০২০

    Post Top Ad