Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    বন বিভাগের হামলায় ভাঙ্গচুর ও ২জন আহতের অভিযোগ

    জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ কমলগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানের চেষ্টায় বাধা \ বন বিভাগের হামলায় ভাঙ্গচুর ও ২জন আহতের অভিযোগ।

    বন বিভাগের হামলায় ভাঙ্গচুর

    মবু আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজারঃ- মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ধলাইরপার গ্রামে জমির মালিকানা নিয়ে বন বিভাগ ও গ্রামের এক ব্যক্তির দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মামলা চলছে আদালতে। আদালতের রায় প্রাপ্তির দাবি করে কমলগঞ্জের রাজকান্দি বনরেঞ্জের বনকর্মীরা মঙ্গলবার জমি থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে গেলে দখলদাররা বাধা দেয়। এতে বন বিভাগের হামলায় একটি ঘর ভাঙ্গচুরসহ ২ নারী আহতের অভিযোগ করেছেন জমির দখলদার পক্ষ। মঙ্গলবার দুপুরে ধলাইরপার গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

    জমির দখলদার মাস্টার আব্দুল খালিক দাবি করেন, মৌরুসী সূত্রে এখানে ১ একর ৬০ শতক জমির মালিক তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে বন বিভাগের সাথে তাদের কয়েক বছর ধরে আদালতে মামলা চলছে। গত ২ ডিসেম্বর তিনি মামলার রায় পেয়েছেন বলে জানান। মঙ্গলবার দুপুরে রাজকান্দি বনরেঞ্জের বনকর্মীরা জমির মামলার রায় পেয়েছেন দাবি করে সে জমি থেকে তাদের (মাস্টার আব্দুল খালিকদের) উচ্ছেদে যায়। তখন তারা বাধা দিলেও পুলিশি সহায়তায় আকস্মিকভাবে বনকর্মীরা হামলা চালায়। হামলায় একটি মাদ্রাসাঘর ভাঙ্গচুরসহ ৪ নারী আহত হয়েছেন। আহতদের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন  মায়ারুন বেগম (৪৫), হাসনা বেগম (৩৫), নেবারুন বেগম (৩২) ও চম্পা বেগম (২৮)। হামলার ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও মাস্টার আব্দুল খালিক জানান।


    কমলগঞ্জের রাজকান্দি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন অভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন, এ জমির প্রকৃত মালিক বন বিভাগ। আদালতের রায়ও তাদের পক্ষে। তাই তারা মঙ্গলবার সে জমি উদ্ধারে গিয়েছিলেন। তখন নারী পুরুষ সম্বলিত দখলদারদের বাধার কারণে তারা জমি উদ্ধার করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, বনকর্মী বা পুলিশ কোন হামলা চালায়নি।

    মাধবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু জমি নিয়ে বিরোধ ও মঙ্গলবার জমি উদ্ধার নিয়ে উত্তেজনার কথা জানান। তিনি আরও বলেন, মাস্টার আব্দুল খালিক অভিযোগ করছেন বনকর্মীদের হামলায় একটি মাদ্রাসা ঘর ভাঙ্গচুরসহ ৪ নারী আহত হয়েছেন।

    কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, এ জমি নিয়ে বন বিভাগ ও দখলদারদের মাঝে মামলা চলছিল। বন বিভাগ জমির প্রকৃত মালিক দাবি করে দখলদারদের উচ্ছেদের উদ্যোগ নিয়েছিল। পুলিশ সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা করেছে। তবে এ নিয়ে কোন পক্ষই এখন পর্যন্ত অভিযোগ করেনি।

    প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ ডিসেমম্বর, ২০২০

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad