Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত হয়ে ছিলাম।


    দিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ সদ্য আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনিযুক্ত সিসি সদস্য চট্টগ্রামের সফল ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেছেন, আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বিশেষ ও পরিবার ছাড়া অন্যরা ভালোবাসতে পারবে না এটাতোনা।

    আমি  আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উনার একজন কর্মী হিসেবে কাজ করছি, সবসময়  করে যাব। রাজনীতি করে আমি এক টাকা অবৈধভাবে আই করেছি সেটা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না।

     
    নেতৃবৃন্দ সব অবগত আছেন। আমি হলফ করে বলছি, আমি কোনও দিন আওয়ামী লীগের বাইরে যদি অন্য কোনও দল করেছি একদিনের জন্যও সেটা কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যুবলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করব। আমার বিরুদ্ধে যেসব অপ্রচার করা হচ্ছে ভিত্তিহীন মনগড়া ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বর্হিভূত।

     আমিও স্কুল জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলাম। কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতি করার পর গতবার আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কাজের মূল্যায়ন করে যুবলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দিয়েছেন। আমিও তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।

    আমি দেশের সব নিয়ম মেনে বৈধ পন্থায় ব্যবসা করি। রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে ভালোবেসে আর মানুষের পাশে থাকার ক্ষুদ্র চেষ্টা থেকেই। এখানে চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। আল্লাহ কাউকে সম্মান দিলে সেখানে হিংসুক লোকজন কি তা কেড়ে নিতে পারে? আমিতো আমার রাজনীতি করছি। কারো বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছি না। তাহলে কতিপয় ব্যক্তি বিশেষের কেন এতো মাথা ব্যথা? মিরসরাই আমার জন্মস্থান সেটা তো অপরাধ হতে পারে না! 

    সোমবার (১৬ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এলিটের কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য পদ বাতিলের চেয়ে মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের বিবৃতি ও ফেসবুকে সমালোচনার জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    নিয়াজ মোর্শেদ এলিট আরও বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি পারিবারিক ব্যবসা থেকে বের হয়েছি। আমার বাবা অন্য রাজনীতি করে বলে তার সাথেও আমার সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে। আমার নিজস্ব একটা পরিচয় আছে। দলের জন্য কাজ করছি।

    ক্রীড়াসহ নানা সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত দীর্ঘদিন ধরে। এরপরও কেন আমার বাবার কথা বলে আমাকে টেনে নামানোর চিন্তা? এসব গতবার আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য পদ পাবার সময়ও করা হয়েছিল।

    তিনি বলেন, পদ-পদবী প্রত্যেক কর্মীর জন্য অলঙ্কার স্বীকৃতি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও যুবলীগ সভাপতি পরশ ভাই আমাকে তাদের সাথে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন তাই আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু পদে না রাখলেও আমি কাজ করতাম না তা কিন্তু নয়।

     সুতরাং একটা সদস্য পদ নিয়ে কারো এতো বিচলিত হবার কিছু নেই। রাজনীতিতে নানা মত থাকবে, তবে আর্দশের ঠিকানা একটাই, একজনই। আমাদের আর্দশিক নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উনার আদর্শ বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় যে কোনও নাগরিকই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে পারে।

    ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করা বাবাকে ভোট না দিতে ফেইসবুকে এক ভিডিও বার্তা শেয়ার দিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন নিয়াজ মোর্শেদ এলিট! ভিডিও তে এলিট বলেন আপনারা আমার বাবাকে ভোট দিবেন না।


    প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০

    Post Top Ad