Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    পাইকগাছায় হলুদ ফুলে ফুলে ভরে গেছেপল্লার ক্ষেত

     ইমদাদুল হকঃ মাচায় মাচায় ভরে গেছে পল্লার হলুদ ফুলে। শোভিত হচ্ছেমাচায়   মাচায়   পল্লার   হলুদ   ফুলের   সমারাহ।   মাচার   উপর   ফুটেআছে হলুদ ফুল এর নিচে ঝুলছে সবুজ পল্লা। ফুলে ফুলে ভোরেগেছে পল্লা  ক্ষেত।    

    মন ভোলানো   চোঁখ   জোড়ানো   হলুদ  ফুলেরসমারোহ দেখে বিমুথ হচ্ছে পথিক। পাইকগাছায় মাচায় পল্লারচাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় পল্লা বিক্রিকরে আর্ধিকভাবে লাভবান হচ্ছে চাষীরা।পল্লা   বা   ধুন্দুল   সবজি   হিসেবে   বেশ।   এ   অঞ্চলে   এসবজিটি পল্লা নামে সমাধিক পরিচিত। আমাদের দেশে দুইধরণের  পল্লা   পাওয়া   যায়।  একটি  আমরা   যেটা  খাই।   এর  শাঁসতিতা নয়, সুস্বাদু ও নরম। অন্যটি বন্য পল্লা যাকে তিত পল্লাবলা হয়।  এর ফল শুকিয়ে স্পঞ্চের মত  গায়ে শাবান  মাখার খোশাতৈরী করা হয়।  

    উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, পাইকগাছায়প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে পল্লার আবাদ হয়েছে। বাড়ীর আঙ্গিনায়,জমির আইলে ও মাচায় পল্লা চাষ করা হচ্ছে। উচু ও পানি জমেনাএমন জমিতে পল্লার চাষ ভাল হয়। দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ জমিধুন্দুল চাষের জন্য উত্তম। জমি চাষ ও মই দিয়ে আগাছা মুক্ত ওঝুরঝুরে করে নিতে হয়। এরপর মাদা তৈরী করতে হয়। এক মাদাথেকে অপর মাদা ৮-১০ ফুট দূরত্ব হবে। মাটি থেকে মাদা ২-৩ফুট উচু করে তৈরী করতে হয়। শতক প্রতি ১০-১২ গ্রাম বীজআর বিঘা প্রতি ৩৩০-৩৪০ গ্রাম বীজ লাগে। বীজ বপনের আগেভিজে রাখলে ভাল হয়। বীজ বপনের ৪০-৪৫ দিন পর থেকে ফল সংগ্রহকরা যায়। উন্নত জাতের বীজ, রোগমুক্ত, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ওসঠিক  নিয়মানুযায়ী চাষ করলে শতক প্রতি ১২০-১৪০ কেজিফলন পাওয়া যায়। পল্লা শরৎকাল পর্যন্ত সংগ্রহ করা যায়। বোটাকেটে ফল সংগ্রহ করতে হয়। খাওয়ার জন্য কচি ও সবুজ রঙের পল্লাতুলতে হয়। খোঁশা শক্ত হয়ে গেছে সেটি আর খুওয়ার উপযুক্তথাকে না।পাইকগাছা উপজেলার সলুয়া মৌজায় মেইন সড়কের পশ্চিমপাশে কৃষক আনন্দ দাশ এক বিঘা জমিতে মাচায় পল্লার আবাদকরেছে। আর রাস্তার পূর্ব পাশে লিয়াকত আলী গাজী দুটি
    অংশে ১৫ কাটা জমিতে পল্লার আবাদ করেছে।

     চাষী লিয়াকত গাজী   জানান,  কয়েকবার ভারি বর্ষনে পল্লা ক্ষেতে পানি   জমেযাওয়ায় গাছের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে তারপরও ফলন ভালো হয়েছে।কাটা প্রতি মাচা তৈরীর সরঞ্জমসহ ১ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।প্রতি ১ দিন পর পর পল্লার ফল তুলে বিক্রি করছি। প্রথম দিকে ১ মন৮শ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৬শ টাকা দরে মন বিক্রিকরছে। বাজারে পল্লার চাহিদা থাকায় কৃষকরা পল্লা বিক্রি করেলাভবান হচ্ছে। তাদের পল্লার চাষ দেখে পাশের কৃষকরা পল্লা চাষেআগ্রহী হচ্ছে। 

    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানানা, পল্লা একটি লাভ জনক সবজি।মাচায় পল্লার চাষ করলে বৃষ্টির সময় গাছের ক্ষতি হয় না এবং ফলওপাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে। অল্প পরিশ্রমে পল্লা চাষ লাভজনক হওয়ায়কৃষকরা   আর্থিকভাবে   সাবলম্বি   হচ্ছে। 

     আগামী  মৌসুমেআরো  অধিক  জমিতে  পল্লা   চাষে  কৃষকরা  আগ্রহী  হচ্ছে  বলেতিনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

    প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

    Post Top Ad