Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    কুয়াকাটায় সরকারী বিধিনিষেধ অমান্য করে তোলা অবৈধ স্থাপনা অবশেষে বন্ধ করা হলো

    কুয়াকাটায় সরকারী বিধিনিষেধ অমান্য করে তোলা অবৈধ স্থাপনা অবশেষে বন্ধ করা হলো
    রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া, পটুয়াখালীঃ-   কুয়াকাটায় মৎস্যবন্দর মহিপুর-আলীপুরে প্রতিদিনই গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। মসজিদ সংলগ্ন মুসুল্লীদের চলাচলের জন্য সরকারী জায়গায় টাকার বিনিময়ে অবৈধ স্থাপনা তোলা হচ্ছে এমন খবর মুহুর্তের মধ্যে বাতাসে ছড়িয়ে পড়লে অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে ভুমি অফিসের নির্দেশে তা আবার বন্ধ করে দেওয়াও হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে প্রায়শই দেখা যায় প্রশাসন ও সরকারকে বৃদ্ধাাঙ্গুলী  দেখিয়ে মস্জিদে চলার পথ দখল করে তোলা হচ্ছে এধরনের বহু অবৈধ স্থাপনা। কুয়াকাটা সহ উপকূলীয় এলাকার সাপ্তাহিক বাজর হচ্ছে মৎস্য বন্দর মহিপুর-আলীপুর। আর এ বাজারে প্রতিনিয়ত গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। কতিপয় অসাধু প্রভাবশালী লোক স্থানীয় কতিপয় ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে এসব দখল বাণিজ্য চালাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আর এভাবে যত্রতত্র স্থাপনা গড়ে তোলায় সরকারের খাস জমি সহ বন বিভাগের জমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি বেদখল হচ্ছে দিনের পর দিন। এতে বাংলাদেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর আলীপুর মহিপুরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এমনকি সংকুচিত হয়ে আসছে বন্দর।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মৎস্যবন্দর মহিপুরে তহশিল অফিস থেকে মাত্র ১০০ গজ দুরে মহিপুর কেন্দ্রীয় জামেমস্জিদ মাঠের দক্ষিন পার্শ্বের সংযোগ সড়কটি বন্ধ করে শনিবার অবৈধভাবে ২টি ঘর উত্তোলনের কাজ করছে জয়নাল আবেদীন ও কামাল নামের দুই ব্যক্তি। অপরদিকে এসব স্থাপনা তোলায় চলছে টাকার বাণিজ্য। এসব অপসারণে দৃশ্যমান কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই। উল্টো মহিপুর-আলীপুরে স্থাপনা তোলা আর অপসারণ নিয়ে এখন চলছে অর্থ বাণিজ্য এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। 

    এব্যাপারে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আ: আজিজ বলেন, উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশে মসজিদের সংযোগ সড়ক থেকে জয়নালের টিনের ঘরটি সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কামাল হোসেন কে তার ঘরটি সরিয়ে নেয়ার জন্য বলা হয়েছে এবং যে ঘর উত্তোলন করা হচ্ছে তা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তবে এর আগেওতো তহশিল অফিসের জায়গায় অনেক ঘর উঠানো হয়েছে সে ঘরতো এখনও বিদ্যমান রয়েছে এমন অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। 

    মহিপুর কেন্দ্রীয় জামে মস্জিদের সভাপতি ও মহিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আ: মালেক আকন্দ বলেন, দু’টি ঘর উত্তোলনের সংবাদ পেয়েছি কিন্তু কে বা কারা উঠিয়েছেন জানিনা। বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেন এবং মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক শাহ আলম হাওলাদার সহ মুসুল্লীরা এনিয়ে উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।  

    এব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি এবং ঘর না উঠানোর ব্যাপারে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অবৈধভাবে ঘর নির্মানের কথা শুনে মহিপুর তহসিলদারকে অতি দ্রুত তা সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


    প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২০

    Post Top Ad