• সর্বশেষ আপডেট

    চসিকের লগো ব্যবহার করে কাউন্সিলের অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসা।

     


    চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রায় ২৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করছে। এর মধ্যে অনুমোদন আছে ১৩ হাজারের। বাকিগুলো অবৈধভাবে চলছে। 

    এই অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে  চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্টিকার ব্যবহার করে, চট্টগ্রাম নাম্বার সম্বলিত গাড়ি নগরীর জামালখান এলাকায়  যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। এসময় গাড়িটি থামিয়ে সিটি করপোরেশনের স্টিকার লাগানো কেন জানতে চাইলে ড্রাইভার দিগন্ত নিউজ বিডিকে বলেন গাড়িটির মালিক সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল আলম। এই স্টিকার লাগানো দেখলে পুলিশ গাড়ি থামায় না কখনো থামালেও কাউন্সিলরের নাম বললে ছেড়ে দেই।

     এই বিষয়ে জানতে সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল আলমের মুঠোফোনে কল করলে তিনি দিগন্ত নিউজ বিডিকে বলেন, গাড়িটি আমার ঠিক আছে আমি ব্যক্তিগত কাজে ও করপোরেশনের কাজে গাড়িটি ব্যবহার করি, তবে ড্রাইভার যাত্রীভাড়া নিচ্ছে এটা আমার জানা নেই। এসময় অবৈধ গাড়ি একজন জনপ্রতিনিধি ব্যবহার করতে পারেনকিনা এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোন জবাব না দিয়ে ফোন কেটে দেন।

    জানা গেছে ২০০১ সালের পর থেকে সিএনজি অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। তবে অনুমোদন না মিললেও নগরীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা।  এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে আছে সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে শুরু করে ট্রাফিক টিআই, সার্জেন্ট, কনস্টেবল ও থানার পুলিশ সদস্যরাও। তারা নিয়ন্ত্রণ করে হাজার হাজার অবৈধ অটোরিকশা। এতে একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ও সড়ক নিরাপত্তা।

    প্রকাশিত শুক্রবার ৩১ মার্চ ২০২৩