Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    পাইকগাছায় পৌর সভার নিজস্ব ভবন নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা-খুলনাঃ- খুলনার পাইকগাছা পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২৩ বছর পর আধুনিক পৌর ভবন নির্মাণে ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়ছ। মঙ্গলবার দুপুরে শিববাটিতে ৮ কোটি টাকা ব্যয় এ ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন খুলনা-৬(পাইকগাছা-কয়রা) সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু।

    পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উপস্তি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) লিপিকা ঢালী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, ওসি এজাজ শফী, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, উপজেলা জাপা সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে পাইকগাছা পৌরসভা প্রতিষ্ঠা হলেও সাবেক গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

    পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের উপ- নির্বাচনে আ'লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশিতদের তৎপরতা
    আসন্ন পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ শুরু হয়েছে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট বাজার চায়ের দোকান ও গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ ভোটারদের কাছে দোয়া প্রার্থনা সহ  গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

    তবে নির্বাচনে বিএনপি কিংবা অন্য কোনো দলের অংশগ্রহণ  নিয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। চলতি বছরের ১৭  ই জুলাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। বর্তমান উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এ দিকে শোনা যাচ্ছে ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বাহিরে বা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিল তারা দলের কাছে মনোনয়ন চাইতে পারবে না বা চাইলে ও তাদের মনোনয়ন দল দিবে না। ২০১৯ সালে দলীয় সিদ্ধান্তে নৌকা প্রতীক নিয়ে গাজী মোহাম্মদ আলীর সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে যারা নির্বাচন করেন তার মধ্যে অন্যতম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রশীদুজজামান ,প্রয়াত এমপি আলহাজ্ব এড শেখ মোঃ নুরুল হকের পুত্র আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ আবুল কালাম আজাদ।

    নির্বাচনে নৌকা মার্কা গাজী মোহাম্মদ আলী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়। এদিকে লক্ষকরা গেছে উপজেলায় আওয়ামী লীগের যে কয়জন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন,তারা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এম এ গফুরের ছেলে আনোয়ার  ইকবাল মন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শেখ কামরুল হাসান টিপু  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য সচিব সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রশিদুজ্জামান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ  আবুল কালাম আজাদ গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

    উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক এমপি আলহাজ্ব শেখ মোঃ নুরুল হকের ছেলে আ'লীগ নেতা আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নৌকার বিজয়ী প্রার্থী গাজী মোহাম্মদ আলীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। উপ- নির্বাচনে অংশ গ্ৰহনে  শেখ মনিরুল ইসলাম তৎপরতা না দেখা গেলোও তার সমর্থকরা চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন জায়গায় আলাপচারিতায় রয়েছে।

    প্রকাশিত: মঙ্গলবার ০১, সেপ্টেম্বার ২০২০

    Post Top Ad