Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    পাঁচ মাস পর আজ খুলছে কক্সবাজারের পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান

    করোনা প্রাদুর্ভাবে গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ হওয়া পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘ প্রায় ৫মাস পর আজ খুলছে। স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে সীমিত আকারে সৈকত তীরের হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্টুরেন্টসহ পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি জেলা চেম্বারের। এখন সৈকত উন্মুক্তসহ সবকিছু সীমিত আকারে খুলে দেয়ার ঘোষণায় ক্ষতি কাটিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

    বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত শহর কক্সবাজার। এক সময় ৩ মাস বা ৪ মাস বলা হতো পর্যটন মৌসুম। কিন্তু এখন সাগর, পাহাড়, উত্তাল সাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এবং প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পুরো বছর জুড়েই আনাগোনা থাকে পর্যটকের।

    কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে থমকে যায় পর্যটন খাত। বন্ধ করে দেয়া সৈকতে প্রবেশ, হোটেল মোটেল, রেস্তোরা, বার্মিজ দোকান, পর্যটন কেন্দ্রসহ সব ধরনের পর্যটন ব্যবসা। এতে ক্ষতি হয় কয়েক হাজার কোটি টাকা।

    তবে দীর্ঘ ৫ মাস পর সৈকত উন্মুক্ত করে দেয়ার পাশাপাশি সীমিত আকারে সবকিছু খুলতে যাওয়ায় আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

    ব্যবসায়ীরা জানান, বিগত পাঁচ মাস ধরে আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। ধার নিয়ে চলেছি। যদি সবকিছু খুলে দেয়া হয়; আশা করি ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবো।

    ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে, তবে পর্যটক আসা অব্যাহত থাকলে এর সাথে জড়িত অন্তত লাখ খানেক মানুষ ভালভাবে চলতে পারবে বলে আশা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।

    কক্সবাজার হোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র সরওয়ার হাসান বলেন, আমাদের যেটা ক্ষতি হয়েছে; সেটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব না।

    কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কিছু সংখ্যক পর্যটক আসে তাহলে আমাদের কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিতে পারবো।

    তবে জেলা প্রশাসক হুঁশিয়ার করে বলেন, পর্যটনের প্রতিটি খাতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তারা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কক্সবাজার চেম্বার অব কর্মাসের দাবি, জেলার পর্যটন খাতে করোনায় লোকসান হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা।

    পর্যটন স্পট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে কক্সবাজার জেলা টুরিস্ট পুলিশও পর্যটক এবং পর্যটক শিল্পের সার্বিক নিরাপত্তায় বেশ প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি জিল্লুর রহমান।

    প্রকাশিত: সোমবার ১৭, অগাস্ট ২০২০

    Post Top Ad