Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    ময়মনসিংহে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের অপাসারনের দাবীতে মানববন্ধন

    madrasa principal removal Demand

    মোঃ ফজলুল হক ভূইয়া, ময়মনসিংহঃ- ৯ মাসের বকেয়া বেতন পেতে ২ মাসের বেতনের সমপরিমান টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। এজন্য ২৩ জন শিক্ষক কর্মচারীকে দিতে হয়েছে চেক। ত্রিশাল উপজেলার বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরজাহান আক্তারের বিরুদ্ধে এই চেক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

    জানা যায়, ত্রিশালের বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে অনিয়ম, দুর্নীতি অব্যবস্থাপনা চলে আসছে। বিভিন্ন অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বিতর্কিত হলেও রহস্যজনক কারনে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সংশ্লিষ্ট মহল ও অভিভাবকরা হতাশা ও ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন।

    এব্যপারে বহু অভিযোগ দেয়া ছাড়াও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

    জানা যায়, বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক গত ৪ ফেব্রুয়ারী এক পত্রে মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নূরজাহান আক্তারকে অব্যাহতি দিয়ে বিধি মোতাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী অধ্যাপক বা প্রভাষকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে ত্রিশাল ইউএনও এবং ত্রিশাল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন। কিন্তু অদ্যাবধি তা কার্যকর হয়নি।

    বরং সম্প্রতি উক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারিদের বকেয়া বেতনবিলের জন্য আগাম চেক নেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    অভিযোগকারী সূত্র জানায়, ৯ মাসের বকেয়া বেতন বিলের টাকা পেতে ২ মাসের বেতনের টাকা উৎকোচ দিতে হচ্ছে। চেক না দিলে বিলে স্বাক্ষর করবেন না বলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কালক্ষেপন করেছিলেন। অবশেষে শিক্ষক কর্মচারীরা চেক দিতে বাধ্য হয়েছেন।

    সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বকেয়া বিলের টাকা উত্তোলনে ব্যবস্থা করতে খরচ বাবদ এই চেক নিয়েছেন উক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। বকেয়া বেতন বিলের টাকা থেকে খরচের টাকা চেক বাবদ কেটে রাখা হবে বলে সূত্র দাবী করে।

    বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন যাবৎ অধ্যক্ষ পদ নিয়ে সমস্যা ও অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ চলছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অব্যহতি দেবার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হচ্ছে না।

    এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি দাখিল ফাইনাল পরীক্ষায় ব্যবহারিক বিষয়ে ২ শ টাকা করে ৫০ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। অভিভাবকরা জানান, প্র্যাকটিকেলে পাশ করানোর নামে এই অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়।

    প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০

    Post Top Ad