Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    করোনা সন্দেহে আল্লামা হাশেমীকে ভর্তি করেনি ডেল্টা ও মেট্টোপলিটন হাসপাতাল


    এম এ মেহেদি প্রধান প্রতিবেদকঃ দেশবরেণ্য আলেমে দ্বীন, ইমামে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশের আল্লামা শাহসূফী কায্বী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমী (মু জি আ) কে মূমূর্ষ অবস্থায় আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এর আগে শনিবার (৩০ মে) চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতাল এবং ডেলটা হেলথ কেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করিয়েও ভর্তি নেয়নি ৯১ বছর বয়সী দেশের শীর্ষ এই ইসলামী চিন্তাবিদকে।

    করোনামুক্ত সনদ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হবে না বলে এসময় হাশেমীর পরিবারকে জানানো হয়।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ডায়াবেটিকস  ও আ্যজমা রোগে আক্রান্ত আল্লামা নুরুল ইসলাম হাশেমীর রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে শনিবার সকাল ১১টায় নগরীর ও আর নিজাম রোডে অবস্থিত মেট্টোপলিটন হাসপাতালে তাকে নিয়ে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার হার্টের কয়েকটি পরীক্ষা করলেও ভর্তি নিতে আপত্তি জানান। 

    পরে আল্লামা হাশেমীর পরিবারকে হাসপাতাল থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, করোনামুক্ত সনদ ছাড়া তারা কোন রোগী ভর্তি নেয় না।

    আল্লামা নুরুল ইসলাম হাশেমীর পরিবার সূ্ত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দুইঘণ্টা মেট্টোপলিটন হাসপাতালে আকুতি মিনতি করেও তাদের মন গলানো সম্ভব হয়নি। বেলা ১টার পরে আল্লামা নুরুল ইসলাম হাশেমীকে নগরীর পাঁচলাইশ মোড়ে ডেলটা হেলথ কেয়ার হসপিটালে নেওয়া হয়। দীর্ঘসময় হাসপাতালের বাইরে এ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষা করার পর ডিউটি ডাক্তাররা আল্লামা হাশেমীকে আবারো বুকের কিছু এক্সরে করিয়ে যথারীতি ভর্তি করানো সম্ভব নয় বলে জানায়।

    এ সময় আল্লামা হাশেমীর এ্যাম্বুলেন্সে থাকা অক্সিজেনের গ্যাস ফুরিয়ে গেলে তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন। আল্লামা হাশেমীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মনির আজাদ হাসপাতালে দায়িত্বরতদের কাছে অক্সিজেন সহায়তা চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    আল্লামা নুরুল ইসলাম হাসেমীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মনির আজাদ  বলেন, ‘তিনটার দিকে হুজুরকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই সেখানে ভর্তি করা হয়।তিনি মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউথতে চিকিৎসাধীন আছে।

    তিনি আরো বলেন, গতকাল সকাল ১১টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত মেট্টোপলিটন এবং ডেলটা হেলথ কেয়ার হসপিটালে ঘুরে হুজুরের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি। তাদের একটাই কথা, রোগীর শরীরে করোনা ভাইরাস নেই এই মর্মে ‘করোনামুক্ত সনদথ প্রদর্শন করতে হবে। এসময় অক্সিজেনের গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়াতে হুজুরের শ্বাসকষ্ট শুরু হলেও হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সাপোর্ট পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২০

    Post Top Ad