Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    করোনাভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগে মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে মামলা


    ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি মসজিদে হওয়া তাবলীগ জামাতের সমাবেশ থেকে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। তাবলীগ-জামাতের ওই সমাবেশে যোগ দেয়া বহু মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

     তাই দিল্লির নিজামুদ্দিন দরগায় অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য মৌলানা সাদ ও অন্য উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ১৮৯৭ সালের এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭ ও ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্য ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এদিকে, আসাম থেকে দিল্লির নিজামুদ্দিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যাওয়া ৪৫৬ জন মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ওই ব্যক্তিদের শারীরিক পরীক্ষারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    জানা গেছে, মারকাজ নিজামুদ্দিন নামে পরিচিত ওই মসজিদটি তাবলীগ জামাতের সাদপন্থীদের কেন্দ্রীয় দপ্তর হিসেবে পরিচিত। এখানেই প্রতিবছর এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    এদিকে, ধর্মীয় সমাবেশ উপলক্ষে এই মসজিদটিতে এ মাসের মাঝামাঝি অন্তত দুই থেকে আড়াই হাজার লোক সমবেত হয়েছিলেন। শহরের একটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকায় একটি ছয় তলা ভবনের ডর্মেটরিতে তারা সবাই গাদাগাদি করে থেকেছেন। এর মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মুসলিমরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন বহু বিদেশি নাগরিকও।

    সমাবেশ থেকে নিজেদের রাজ্যে ফিরে সোমবার (৩০ মার্চ) তেলেঙ্গানাতে ছ'জন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়ে করোনাভাইরাসে মারা যান।  এর আগে নিজামুদ্দিন থেকে ফিরে গিয়ে কাশ্মীরের এক ধর্মীয় নেতাও শ্রীনগরে কয়েকদিন আগে মারা যান। তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে ফিরে মারা যান। তিনি উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দেও ঘুরে যান এবং কাশ্মীরে কয়েকটি ধর্মীয় সভায় অংশ নেন।

    দ্য মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের তামিল নাড়ুর দুইজন ও দিল্লির একজন করোনাভাইরাসে মারা যান। তারা এই দিল্লির তাবলীগে সমবেত হয়েছিলেন। যদি বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

     তাই দিল্লির নিজামুদ্দিন দরগায় অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য মৌলানা সাদ ও অন্য উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ১৮৯৭ সালের এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭ ও ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্য ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এদিকে, আসাম থেকে দিল্লির নিজামুদ্দিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যাওয়া ৪৫৬ জন মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ওই ব্যক্তিদের শারীরিক পরীক্ষারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    জানা গেছে, মারকাজ নিজামুদ্দিন নামে পরিচিত ওই মসজিদটি তাবলীগ জামাতের সাদপন্থীদের কেন্দ্রীয় দপ্তর হিসেবে পরিচিত। এখানেই প্রতিবছর এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    এদিকে, ধর্মীয় সমাবেশ উপলক্ষে এই মসজিদটিতে এ মাসের মাঝামাঝি অন্তত দুই থেকে আড়াই হাজার লোক সমবেত হয়েছিলেন। শহরের একটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকায় একটি ছয় তলা ভবনের ডর্মেটরিতে তারা সবাই গাদাগাদি করে থেকেছেন। এর মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মুসলিমরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন বহু বিদেশি নাগরিকও।

    সমাবেশ থেকে নিজেদের রাজ্যে ফিরে সোমবার (৩০ মার্চ) তেলেঙ্গানাতে ছ'জন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়ে করোনাভাইরাসে মারা যান।  এর আগে নিজামুদ্দিন থেকে ফিরে গিয়ে কাশ্মীরের এক ধর্মীয় নেতাও শ্রীনগরে কয়েকদিন আগে মারা যান। তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে ফিরে মারা যান। তিনি উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দেও ঘুরে যান এবং কাশ্মীরে কয়েকটি ধর্মীয় সভায় অংশ নেন।

    দ্য মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের তামিল নাড়ুর দুইজন ও দিল্লির একজন করোনাভাইরাসে মারা যান। তারা এই দিল্লির তাবলীগে সমবেত হয়েছিলেন। যদি বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

    ভারতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, মারকাজ নিজামুদ্দিনে অবস্থান ব্যক্তিদের করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা গেলে তাদের সোমবার (৩০ মার্চ) দিল্লির বেশকিছু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যার মধ্যে অন্তত ২৪ জনের আজ পরীক্ষার ফল 'পজিটিভ' এসেছে।

    নিজামুদ্দিনের ঘিঞ্জি এলাকার ভেতর অবস্থিত মসজিদটি মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সিলগালা করেছে পুলিশ। ভিতরে তখনো সাতশর মতো লোক অবস্থান করছিলেন।  তাদের সবাইকে সরকারি বাসে করে দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ১২০০ টপকে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। দেশটি করোনায় মারা গেছেন ৩৭ জন। আক্রান্তের সংখ্যাও দেশের মধ্যে সর্বাধিক মহারাষ্ট্রে। কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৭।

    সূত্র: দ্য মিরর, সংবাদ প্রতিদিন।

    প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০

    Post Top Ad