Header Ads

parkview
  • সর্বশেষ আপডেট

    হাসপাতালের জন্য সিআরবির বিকল্প নিয়ে আলোচনা সংসদীয় কমিটিতে

      

    চট্টগ্রাম: নগরের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি এলাকায় প্রস্তাবিত ৫০০ শয্যার হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউট না হলে বিকল্প কোথায় হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায়।

     এক্ষেত্রে সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরায় রেলওয়ের বন্ধ হয়ে যাওয়া যক্ষ্মা হাসপাতাল এলাকায় সেটি করা যেতে পারে এমন প্রস্তাব এসেছে।মঙ্গলবার (১০ মে) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীসহ কমিটির ৭ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।  এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, সিআরবিতে পিপিপির আওতায় হাসপাতাল প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্প কেন বাস্তবায়িত হচ্ছে না তা সংসদীয় কমিটির সভায় জানতে চাওয়া হয়েছিল।

    তখন যদি সিআরবিতে হাসপাতালটি না হয় তাহলে সীতাকুণ্ডে রেলওয়ের বন্ধ হয়ে যাওয়া হাসপাতাল এলাকায় এটি বাস্তবায়নে মত দেওয়া হয়।   তিনি বলেন, চট্টগ্রামের মানুষের জন্য হাসপাতালটি দরকার।যদি সিআরবি এলাকায় সেটি না হয়, তাহলে অন্য কোনো জায়গায় হতে পারে। চট্টগ্রামের স্বার্থে এটি হতে হবে।

    এ কারণে কুমিরা এলাকায় রেলওয়ের জমিতে হাসপাতালটি করা যেতে পারে এমন প্রস্তাবনা এসেছে। সেখানে ১৩ একর জমি দেওয়া যেতে পারে হাসপাতালটির জন্য।  

    রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, কুমিরায় যক্ষ্মা হাসপাতালটি কয়েক যুগ ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। প্রায় ১৩ একর জমি অব্যবহৃত আছে সেখানে। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।  

    মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের কবর, শতবর্ষী বৃক্ষরাজি, নৈসর্গিক পরিবেশে নগরবাসীর উন্মুক্ত নিশ্বাস নেওয়ার স্থান হিসেবে জনপ্রিয় হওয়া সিআরবিতে পিপিপির আওতায় ৫০০ শয্যার হাসপাতাল, ১০০ আসনের মেডিক্যাল কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, পেশাজীবীসহ নাগরিক সমাজ। প্রায় এক বছর ধরে প্রতিদিন প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে সিআরবির প্রস্তাবিত হাসপাতাল প্রকল্প এলাকায়। 
     
    তাদের যুক্তি হচ্ছে- পিপিপির অধীনে হাসপাতাল করার জন্য চট্টগ্রাম শহর ও আশপাশের এলাকায় অনেক জায়গা আছে। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সোনালি অধ্যায় খ্যাত সিআরবি এলাকায় এত বড় হাসপাতাল হলে নগরবাসীর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য যেমন বিনষ্ট হবে তেমনি আশপাশের কয়েক বর্গকিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হবে প্রতিদিন।  
    সংসদীয় কমিটির সভায় সিআরবির বিকল্প নিয়ে আলোচনা হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম।  

    প্রকাশিত: বুধবার ১১ মে ২০২২

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad